Search This Blog

Showing posts with label ভাবনা. Show all posts
Showing posts with label ভাবনা. Show all posts

Thursday, March 28, 2019

এফ আর টাওয়ারে আগুন এবং আমাদের সচেতনতা

সংগ্রহ :
মোঃ মাহফুজ আহমেদ।



দুপুর ১.৩০ টার এর দিকে সুমন পাটোয়ারী ( Sumu Ahamed) ভাই ফায়ার সার্ভিস ভলান্টিয়ার গ্রুপে খবর দিলেন বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন লেগেছে। তার কিছুক্ষণের মধ্যে বন্ধু আরিফ জানালো আমাদের এক বান্ধবীও ঐ বিল্ডিং এ আটকা পড়ে আছে।

আমি যেহেতু আরবান কমিউনিটি ভলান্টিয়ার, কম্প্রেহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম এর প্রশিক্ষক সুতরাং
তারাহুরো করে বের হলাম, স্পটে চলে গেলাম। ভয়াবহ অগ্নিকান্ড! কিন্তু তার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা হচ্ছে মোবাইলে ছবি তোলা আর ভিডিও করা অবস্থায় উৎসুক জনতার।

ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে পারে না, সিটি কর্পোরেশনের পানির গাড়ি প্রবেশ করার মতো জায়গা পায় না, আর পাব্লিক আছে তামাশা দেখতে। পুলিশের গরম পানি আর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে জনতার ভীড় কমাতে হবে, তাই না?

ভবনে জরুরী নির্গমনের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। জানালা অথবা করিডর নেই যা ব্যবহার করে ভবনের বাইরে দিয়ে নামার সুযোগ থাকবে। ভবনের নিজস্ব  অগ্নিনির্বাপন করার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য নেই। রাজউকের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণ করা। এসব নানান অসঙ্গতির ফল হচ্ছে বনানীর এতো বড় দুর্ঘটনা।

এবার নিজের কথা ভাবেন।
ভাই আপনি কি আপনার পাশের ফায়ার স্টেশনের নাম্বার জানেন? আপনার বাসায় অথবা অফিসে আগুন লেগেছে তা কি ফায়ার সার্ভিস জানে? আরে ভাই আপনার দায়িত্ব হচ্ছে আগুন বিস্তৃতি লাভের আগেই তা নিভানো এবং আপনার আওতার বাইরে যাওয়ার আগেই ফায়ার সার্ভিসকে জানানো। আমরা ক'জন জানি এটা?

আসুন সচেতন হই, প্রশিক্ষিত হই। অন্তত পক্ষে কাজ করতে না পারলেও কাজের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করি।


সাখাওয়াত স্বপন
নির্বাহী পরিচালক, Safety School

Sunday, March 3, 2019

ভালবাসা ভাল থাকুক অন্যের ঘরে।

মোঃ মাহফুজ আহমেদ।


ভালবাসা ভাল থাকুক  অন্যের ঘরে।
ভাল থাকুক সবকিছু সাইট থেকে ব্লক করা,ভালবাসার মানুষগুলো।  ভালবেসে না পেলে ভালবাসার শেষ নয়।
ভালবাসার মানুষ কে সুখি দেখে নিজের দুঃখগুলো ভুলে যাওয়ার নামই হয়ত ভালবাসা। ভালবাসা সব সময় প্রিয় মানুষটির কাছেই রয়ে যায়। যেমন থাকে আপনার মনে। ভালবাসার মানুষগুলোর জন্য দোয়া থাকে মনের অন্তস্থঃতল থেকে।
ক্ষমা করে দিও তোমার হতে পারলাম বলে দিন, যদি দেখা হয় চলার পথে।
-----------অভিমানি ভালবাসা। 

Friday, February 22, 2019

আমি ঠিক হব,ঠিক করবো দেশ।

মোঃ মারুফ (ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)

ঘটনা ১ঃ ব্রিজ মোড় থেকে মেডিকেল যাচ্ছি অটোতে,মাঝখানে রেলক্রসিং এ পড়ে গেলাম।
অটোচালক বাম সাইড ক্রস করে ডানে দাড়াচ্ছিল জন্যে বললাম যে ওপাশ থেকে গাড়ি আসতে দেবেন না?এ পাশেই দাড়ান।

একটু রাগ হয়ে বলায় আর চালক অল্প বয়স্ক হওয়ায় সাহস না পেয়ে বামেই দাড়ালো।

একটু পর পিছনের আরেক অটো পাশ কাটিয়ে সামনে ডানে দাড় করালো।তাকেও একি কথা বললাম,
সে উত্তর দিল, আমারে কইয়া লাভ আছে,ওই পাশে দেহুইন্না?

আমি বললাম, অন্যজন করলে আপনিও করবেন?

অটোতে কতিপয় ভদ্রলোক ছিলেন তার একজন বললেন এগুলা বইলা লাভ নাই,বাংলাদেশে এমনেই চলতে হয়?
সবাই হেসে সমর্থন দিল।

একটু পর আমাদের  চালক বললো হেইনা এট্টু রাস্তা তার মধ্যে ফির বাস ঢুকে,রাস্তা বড় করেনা,জ্যাম হইবোনা ক্যান?

আমাদের অটোতে স্যুট পড়া ভদ্রলোক উত্তর দিলেন,

রাস্তা বড় করার কোন দরকার নাই।
রাস্তা বড় করলে যানবাহন বাড়ে,আর কার বাপের জমি কে ছাড়বো রাস্তার জন্য? বাড়ি ভাইঙা রাস্তা করার কোন মানেই নাই।

ঘটনা ২ঃআমার  মেজো খালা ঢাকায় বাসা ভাড়া থাকেন প্রায় বছর ছয়েক।
বাসাটি মানিকদি মসজিদ মোড় থেকে একটু ভিতরে,প্রায় ৫ মিনিট হাটতে হয়।
থাকেন ৫ তলায়।

একদিন রাতে আমি খালার বাসায় যাচ্ছি গলি দিয়ে,অন্ধকারে ধাক্কা খেলাম একজনের সাথে,
 গলিটা এমনি চিকন যে একসাথে দুইজন হেটে যাওয়া যায়না।

ধাক্কা খাওয়ার পর মনে হইছিল আচ্ছা এরা কি বাড়ি করার আগে রাস্তার কথা ভাবেনা?মরলে যে খাটিয়া করে লাশ বের করতে হবে সেটাও কি মাথায় থাকেনা?

আজ চকবাজারের আগুনের ছবি আর হাহাকার করা ছবি গুলো দেখে একেকজন হা হুতাশ করছি,দোষারোপ করছি

সরকার কেনো রাস্তা বড় করেনা,কেন আবাসিক এলাকা থেকে গোডাউন কেনো সরায় না,ফায়ার সার্ভিস লেট কেন?সরকার কি করে?

আমলা মন্ত্রীকে মুখ দিয়ে একদম ধুয়ে দেই।

এই আমরাই আবার সরকার যখন রাস্তা বড় করতে আসে তখন বাধা দেই,
আন্দোলন করি আমার বাপের জমি আমি ছারবোনা,জমি ছাড়ার আগে আমাদের কবর দিতে হবে এখানেই।

আমার জায়গায় আমি কি করি করি, সরকারের কি?
গোডাউন দেইনা ল্যাট্রিন দেই সরকারের কি?খায়া কোন কাজ কাম নাই সরকারের?

প্রত্যেকটা ইঞ্চি যায়গা আমরা নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে চাই।
ফলাফল একেকটা ভবনের সাথে জড়াজড়ি করে আরেকটা ভবন।
রাস্তার জন্য জায়গা না রেখে দরকার হলে রাস্তাটাও ব্যবহার করি গাড়ি পার্কিং এর জন্য।
তবু আরেকটা ইউনিট করতে হবে ফ্লাট এর।ভাড়া দিতে হবেতো।

আবার এই আমরাই সরকারি  অফিসে বসে ঘুষ খেয়ে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিল্ডিংয়ের অনুমতি দেই,

আবার আমরাই কিন্তু ঐ নিয়ম এর তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা বিল্ডিং ভাড়া নেই।দুর্ঘটনায় পড়ি,আহত হই,মারা যাই।কিন্তু শিক্ষাটাই নেইনা।

আবার যখন আমাদেরই কেউ মারা যায় আহাজারি করি আর দোষ দেই সরকারের।গালাগালি করি সরকারকে..

দোষ সরকারের আমি অস্বীকার করছিনা।

কিন্তু সরকার তো একজন মানুষ নয়,
আমরা প্রত্যেকেই সরকারের অংশ।

প্রত্যেকটা মৃত্যুর পিছনে আমার আপনার প্রত্যেকের দায় আছে,সরকারের পিয়ন থেকে কর্মকর্তা পর্যন্ত আমি আপনিই জড়িত।
আপনার আমার বাবা, ভাই,  চাচা, মামা, বোন , দুলাভাই,মা,চাচি, কেউনা কেউ জড়িত।
আমরাই ঘুষ খাই,বিল্ডিং বানাই।
নিজের বেলায় নিয়মনীতি ভুলে যাই,কাজ হলেই হল।

আবার কিছু হয়ে গেলে মুখে ফেনা তুলে ফেলি প্রতিবাদ করতে করতে।

ফলাফল আখেরে কোন লাভই নাই,রাস্তা দিয়ে ফায়ারসার্ভিস এর গাড়ি ঢুকবেনা,জ্যাম এ এম্বুলেন্স এ আমরাই আটকা পড়ব,দুর্ঘটনায় আমরাই মারা যাব।

পরিবর্তন হবেনা,কোনদিন ও হবেনা, যতদিন না আপনি নিজে চান মন থেকে,যতদিন না আপনি নিজেকে পরিবর্তন করছেন।তাই মুখে ফেনা না তুলে মনটাকে একটু ফেনা তুলে পরিষ্কার করা দরকার। হয়তো আমি আপনি পরিবর্তন দেখে যেতে পারবো না কিন্তু আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে অন্তত এমন মৃত্যু দেখে চোখের পানি ফেলতে হবেনা।😔

তাই সময় এসেছে নিজেদের বদলানোর।

আমি আপনিই  সরকার।

চলেন নিজে বদলাই দেশ বদলে যাবে।
দোষটা অন্যের ঘাড়ে না চাপিয়ে নিজে চেষ্টা করি।

অঙ্গিকার করি,
আমি ঠিক হব,ঠিক করবো দেশ।
#lets_change_ourselves

Sunday, February 17, 2019

Works For Humanity Foundation,

Your donation reminds me of how much we depend on your generosity and moral support to accomplish our event to feed the orphan on valentines day "Donate Love Spread Happiness - season 2" powered by Works For Humanity Foundation. Thank you for your gift. Your kind gesture helps us to bring smile on the face of an orphan and to feed him. Thank you for your trust in us.

Regards,

Works For Humanity Foundation,

23/1,Kha, Sanatangar, Hazaribag, Dhaka.
Contact: 01746921283

Saturday, February 9, 2019

জীবনে সাফল্য পেতে চাইলে বিল গেটসের এই ৯টি পরামর্শ মেনে চলুন

              মো মাহফুজ আহমেদ।
___________________<<<<_____________________

পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি বিল গেটস তার সাফল্য অর্জনে ব্যবহার করেছেন ৯টি মূল পরামর্শ।
১.
প্রথম পরামর্শ :শক্ত মনের জোর। তার কথা, একজন ব্যবসায়ীকে কঠোর পরিশ্রম করতে তাকে এতটাই প্রস্তুত থাকতে হবে যে, বিশ্রাম নেওয়ার মানসিকতা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে।
২.দ্বিতীয় পরামর্শ :বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়া। বিল গেটস মনে করেন, জীবনে বড় ধাক্কা খাওয়া বা বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়াও সাফল্যের অন্যতম মূলমন্ত্র।
৩. তৃতীয় পরামর্শ :কঠোর পরিশ্রম। বিল গেটস মনে করেন, সাফল্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।
৪. চতুর্থ পরামর্শ :ভবিষ্যতকে তৈরি করা। বিল গেটস বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন। প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আপডেট করুন। নতুন নতুন আইডিয়াকে সামনে নিয়ে আসুন।
৫.পঞ্চম পরামর্শ:নিজের কাজ উপভোগ করুন। বিল গেটস বলেন, আপনি যে কাজটি করছেন সেটি আপনাকে উপভোগ করতে হবে।
৬. ষষ্ঠ মূলমন্ত্র হলো—কার্ড খেলুন। বিল গেটসের প্রিয় খেলা কার্ড। তার মতে, ব্রিজ খেলার বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। এই খেলা আপনাকে চিন্তা করতে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি ব্রিজে ভালো সে অন্য অনেক কিছুতেও ভালো।
৭. সপ্তম পরামর্শ :অন্যের পরামর্শ নেওয়া। বিল গেটস বলেন, হতে পারে আপনার কাছে কিছু আইডিয়া আছে যেটা আরেকজনের কাছে নেই। আবার আরেকজনের কাছে যে আইডিয়াটা আছে সেটাও হয়তো বা আপনার কাছে নেই। তাই কাছের লোকদের সঙ্গে আলাপ করা ও পরামর্শ চাওয়া বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।
৮. অষ্টম পরামর্শ :ভালো মানুষ নিয়োগ। বিল গেটসের মতে, এমন ব্যক্তিদেরই আপনি আপনার ব্যবসায় সংযুক্ত করুন, যাদের আপনি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারেন।
৯. নবম পরামর্শ :গড়িমসি না করা। বিল গেটস বলেন, কোনো কাজেই আজ না কাল, কাল না পরশু- এমন করা যাবে না। যখন যে কাজটি করার প্রয়োজনবোধ করবেন তখনই সেটি করে ফেলবেন।।




Saturday, February 2, 2019

ভালবাসার নগরী ঢাকা !

ভালবাসার নগরী ঢাকা

আ হ ম পারভেজ রানা। 

মতিঝিলে একটা বিল্ডিং আছে। বিল্ডিংটার নাম, ''জাতীয় চা বোর্ড''। ঢাকা শহরে কোনো চা বাগান নেই, কিন্তু জাতীয় চা বোর্ড নামক সরকারি প্রতিষ্ঠানটি খোদ ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
ঢাকায় মাছের চাষ হয় না। কিন্তু ''মৎস্য ভবণ'' দখল করে আছে রমনার একটি এলাকা।
ঢাকার কোথাও ধান, গম, মুলা চাষ হয় না। কিন্তু ''খামার বাড়ি'' নামক বিশাল ভবণটি ফার্মগেটে বসে আছে।

একটা দেশে ৬৪ টি জেলা আছে।
সেই দেশের ৬৩ জেলাকে বাদ দিয়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে মাত্র ১টি জেলায়। ঢাকাতে।
যে মৎস্য ভবণ থাকার কথা চাঁদপুরে, সেটি ঢাকায়।
যে খামার বাড়ি থাকার কথা ময়মনসিংহে, সেটিও ঢাকায়।

চা বাগানের শহর সিলেট বাদ দিয়ে, চা বোর্ডটিও আমরা বসিয়ে রেখেছি ঢাকায়।
গার্মেন্টসের মাল যায় জাহাজে। বন্দর চট্টগ্রামে অবস্থিত।
চট্টগ্রামে কয়টা গার্মেন্টস আছে? ঢাকা কি গার্মেন্টসেরও শহর নয়?

এরপরও যখন আপনারা যানজট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন, তখন আমার খুব হাসি পায়।
আপনারা কেউ কেউ কেজরিওয়াল হতে চান, বুদ্ধি দেন, জোড় বিজোড় পদ্ধতিতে গাড়ি চালালে নাকি সব ঠিক হয়ে যাবে। ভাই, ও কেজরিওয়াল ভাই। একটা কথা বলি। যেভাবে ঢাকার মানুষ বাড়ছে, ঢাকার প্রতিষ্ঠান বাড়ছে, জোড় বিজোড় কেন, সিরিয়াল নম্বর ধরেও যদি গাড়ি চালান, তবুও যানজট কমবে না।
কেউ কেউ বলেন, ফ্লাইওভার আর মেট্রোরেলের কথা। ভাই রে, এই ছোট্ট শহরে কয়টা মেট্রোরেল দেবেন? কয়টা ফ্লাইওভার বসাবেন? ফ্লাইওভার আর মেট্রোরেলের পাশাপাশি যদি হেলিকপ্টার সার্ভিসও দেন, ঢাকার আকাশে হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে, তবু যানজটের খুব বেশি উন্নতি হবে না।
তার চেয়ে পুরো বাংলাদেশের ৬৪ টা জেলাকেই ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে শিখুন। দেশের প্রতিটি ইঞ্চিকে সমানভাবে ভালবাসুন। উন্নয়ণের জোয়ার ভাটার খেলা কেবল এই ছোট্ট শহরে মধ্যে না চালিয়ে, সারা বাংলাদেশে চালান।
তাহলে দুটো জিনিস হবে।
১. পুরো বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে।
২. ঢাকায় কোনো যানজট থাকবে না।

ঢাকার যানজট নিরসনের এটাই একমাত্র পদ্ধতি।
নেট থেকে ডাউনলোড করা আইডিয়া বাদ দিয়ে, একটু মাথা ঘামান।
মাথা কেবল চুল আচড়ানোর জন্য নয়। মাঝে মাঝে মাথা খাটিয়ে বুদ্ধি বের করতে হয়। ওটাই কিন্তু মাথার আসল কাজ। বুদ্ধি বের করা।।।



সূর্য ডোবার খেলা

 সূর্য   ডোবার খেলা  এস_আর_শহীদ সাগর আকাশ মিলেছে যেখানে  রং ধনু সাত রং খুঁজে পাই সেখানে।।  সূর্য ডোবার খেলা দেখি দু'নয়নে কি দারুণ সুখে ন...